১২:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মুরাদনগরে ‘দুর্নীতিবিরোধী’ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণ সমর্থন পেলেন বিএনপি প্রার্থী কায়কোবাদ জনগণের পরামর্শেই চলবে মুরাদনগর, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজদের কোনো ছাড় নয়: কায়কোবাদ মুরাদনগরে ছাড়পত্র না থাকায় ৮ লাখ টাকা জরিমানা, তিনটি ইটভাটা বন্ধ নির্বাচিত হলে সংসদে গিয়ে কোরআন শিক্ষা বাধ্যতামুলক করার দাবি তুলবো – মনিরুল হক চৌধুরী মুরাদনগরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যা ‘নির্বাচনী মাঠে উত্তাপ, প্রচারণায় মুখর পুরো উপজেলা’ মুরাদনগরে আচরণবিধি লঙ্ঘন: বিএনপি প্রার্থীর প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দীর্ঘ দুই যুগ পর কুমিল্লায় আসছেন তারেক রহমান হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে বিএনপি প্রার্থীর আবেদন

পিয়াজের দাম ৪০ টাকার বেশি চাইলেই ফোন দেবেন

  • তারিখ : ১২:২৫:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২০
  • / 2046

অনলাইন ডেস্ক :

করোনা আতঙ্কের সুযোগ নিয়ে অনেকেই বিভিন্ন জিনিসপত্র বেশি দামে বিক্রি করছেন। সেখানে এরই মধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি আর ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের মুখে পিয়াজের দাম কমে গেছে।

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে কেজিতে পিয়াজের দাম কমেছে ২০ টাকা। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশি পিয়াজ পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। এলসির পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়।
বিভিন্ন পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেশি পিয়াজ সকালে কেজি ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বিকাল থেকে এ পিয়াজ ৩৫ টাকায় কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, গত বৃহস্পতিবারও দেশি পিয়াজ পাইকারিতে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। আমদানিকৃত পিয়াজ কেজিপ্রতি ৭০ টাকায় বিক্রি হয়। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে কেজিতে দেশি পিয়াজের দাম প্রায় ২০ টাকা এবং বিদেশি পিয়াজ প্রায় ১৫ টাকা কমেছে। সিলেটে পিয়াজের কোনও সংকট নেই। প্রতিদিনই প্রচুর পিয়াজ আসছে বাজারে। তাই মূল্যবৃদ্ধির কারণ নেই।

শনিবার দেশি পিয়াজ ৫০ টাকা এবং আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৬৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

প্রসঙ্গত, অসাধু ব্যবসায়ীরা করোনাভাইরাসের অজুহাতে পিয়াজের দাম হঠাৎ বাড়িয়ে দেন। তবে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দাম কমতে শুরু করে।

প্রতিটি উপজেলায় ও নগরে একযোগে অভিযান শুরু করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। অনেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে লিখেছেন, ‘পিয়াজ ৪০ টাকার বেশি বিক্রি করলে ফোন দেবেন।’

শেয়ার করুন

পিয়াজের দাম ৪০ টাকার বেশি চাইলেই ফোন দেবেন

তারিখ : ১২:২৫:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২০

অনলাইন ডেস্ক :

করোনা আতঙ্কের সুযোগ নিয়ে অনেকেই বিভিন্ন জিনিসপত্র বেশি দামে বিক্রি করছেন। সেখানে এরই মধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি আর ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের মুখে পিয়াজের দাম কমে গেছে।

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে কেজিতে পিয়াজের দাম কমেছে ২০ টাকা। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশি পিয়াজ পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। এলসির পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়।
বিভিন্ন পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেশি পিয়াজ সকালে কেজি ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বিকাল থেকে এ পিয়াজ ৩৫ টাকায় কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, গত বৃহস্পতিবারও দেশি পিয়াজ পাইকারিতে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। আমদানিকৃত পিয়াজ কেজিপ্রতি ৭০ টাকায় বিক্রি হয়। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে কেজিতে দেশি পিয়াজের দাম প্রায় ২০ টাকা এবং বিদেশি পিয়াজ প্রায় ১৫ টাকা কমেছে। সিলেটে পিয়াজের কোনও সংকট নেই। প্রতিদিনই প্রচুর পিয়াজ আসছে বাজারে। তাই মূল্যবৃদ্ধির কারণ নেই।

শনিবার দেশি পিয়াজ ৫০ টাকা এবং আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৬৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

প্রসঙ্গত, অসাধু ব্যবসায়ীরা করোনাভাইরাসের অজুহাতে পিয়াজের দাম হঠাৎ বাড়িয়ে দেন। তবে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দাম কমতে শুরু করে।

প্রতিটি উপজেলায় ও নগরে একযোগে অভিযান শুরু করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। অনেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে লিখেছেন, ‘পিয়াজ ৪০ টাকার বেশি বিক্রি করলে ফোন দেবেন।’