১০:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জনগণের পরামর্শেই চলবে মুরাদনগর, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজদের কোনো ছাড় নয়: কায়কোবাদ মুরাদনগরে ছাড়পত্র না থাকায় ৮ লাখ টাকা জরিমানা, তিনটি ইটভাটা বন্ধ নির্বাচিত হলে সংসদে গিয়ে কোরআন শিক্ষা বাধ্যতামুলক করার দাবি তুলবো – মনিরুল হক চৌধুরী মুরাদনগরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যা ‘নির্বাচনী মাঠে উত্তাপ, প্রচারণায় মুখর পুরো উপজেলা’ মুরাদনগরে আচরণবিধি লঙ্ঘন: বিএনপি প্রার্থীর প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দীর্ঘ দুই যুগ পর কুমিল্লায় আসছেন তারেক রহমান হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে বিএনপি প্রার্থীর আবেদন কুমিল্লা সদর দক্ষিণে ছাত্রলীগ নেতা সাকিব গ্রেফতার ওসিকে হুমকি দেওয়া বৈষম্যবিরোধী নেতা মাহদী গ্রেপ্তার

বিএনপিরও ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেয়া উচিত: তথ্যমন্ত্রী

  • তারিখ : ০১:০৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২০
  • / 1320

আদালতের রায় অনুযায়ী বিএনপিরও ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকায় সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে মন্ত্রী বলেন, জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে গ্রহণ করে সবাই যাতে জয় বাংলা স্লোগান দেয় সেজন্যই মহামান্য হাইকোর্ট একটি রায় দিয়েছেন। এই কাঙ্ক্ষিত রায়কে আমরা স্বাগত জানাই।

‘জয় বাংলা’ আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান, ‘জয় বাংলা’ কোনো দলের স্লোগান নয় উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, মুক্তিযুদ্ধ এবং আমাদের স্বাধিকার আদায়ের সংগ্রাম সব ক্ষেত্রেই স্লোগান ছিল ‘জয় বাংলা’। সুতরাং এ স্লোগান দিতে যাদের লজ্জা লাগে হাইকোর্টের রায়ের পর আমি আশা করব সেই লজ্জা আর থাকবে না। হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী, বিএনপিসহ তাদের সবারই এখন জয় বাংলা স্লোগান দেয়া উচিত।

‘করোনা’ নিয়ে রাজনীতি নয়, মুজিববর্ষে বিদেশিরা আসতে চায়নি বলে সরকার দেশে করোনা শনাক্তের ঘোষণা দিয়েছে- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এহেন মন্তব্য খণ্ডন করে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বনেতারা মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে আসার সম্মতি দিয়েছিলেন এবং নিশ্চিত করেছিলেন। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ভারতের মান্যবর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর নিশ্চিত, এমন ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। যেদিন মুজিববর্ষ উদযাপন জাতীয় কমিটি বেশি জনসমাগমের অনুষ্ঠানগুলো আপাতত পরিহারের সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেদিনও ভারতের পক্ষ থেকে সফরের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছিল। আমাদের সরকার, দল ও সমগ্র দেশবাসীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করেছিল। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনস্বার্থের কথা চিন্তা করে বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটে এবং বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর সেই অনুষ্ঠানগুলো সংকুচিত এবং পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশনা দেন, কোনো অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়নি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সবকিছুর মধ্যে রাজনীতি খোঁজা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব আজ (মঙ্গলবার) যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা প্রকৃতপক্ষে করোনাভাইরাস নিয়ে মশকরা করার শামিল। অর্থাৎ বিএনপি এই করোনাভাইরাস নিয়ে রাজনীতি করা শুরু করেছে। তাদের উচিত ছিল করোনাভাইরাস নিয়ে রাজনীতি না করে জনগণের পাশে দাঁড়ানো।

করোনা নিয়ে অযথা আতঙ্ক পরিহারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, কিছু পত্রিকা করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে, যা না করার জন্য আমি সবাইকে অনুরোধ জানাব।

একটি অসাধু মহল মাস্ক, হ্যান্ডওয়াশ ও ক্লিনিক মেটেরিয়ালসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে, যে বিষয়ে সরকার তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছে এবং সরকার তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে জানিয়ে ড. হাছান বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে রাজনীতি, আতঙ্ক ছড়ানো বা মুনাফা লোটা কোনোভাবেই সমীচীন নয়।

শেয়ার করুন

বিএনপিরও ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেয়া উচিত: তথ্যমন্ত্রী

তারিখ : ০১:০৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২০

আদালতের রায় অনুযায়ী বিএনপিরও ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকায় সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে মন্ত্রী বলেন, জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে গ্রহণ করে সবাই যাতে জয় বাংলা স্লোগান দেয় সেজন্যই মহামান্য হাইকোর্ট একটি রায় দিয়েছেন। এই কাঙ্ক্ষিত রায়কে আমরা স্বাগত জানাই।

‘জয় বাংলা’ আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান, ‘জয় বাংলা’ কোনো দলের স্লোগান নয় উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, মুক্তিযুদ্ধ এবং আমাদের স্বাধিকার আদায়ের সংগ্রাম সব ক্ষেত্রেই স্লোগান ছিল ‘জয় বাংলা’। সুতরাং এ স্লোগান দিতে যাদের লজ্জা লাগে হাইকোর্টের রায়ের পর আমি আশা করব সেই লজ্জা আর থাকবে না। হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী, বিএনপিসহ তাদের সবারই এখন জয় বাংলা স্লোগান দেয়া উচিত।

‘করোনা’ নিয়ে রাজনীতি নয়, মুজিববর্ষে বিদেশিরা আসতে চায়নি বলে সরকার দেশে করোনা শনাক্তের ঘোষণা দিয়েছে- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এহেন মন্তব্য খণ্ডন করে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বনেতারা মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে আসার সম্মতি দিয়েছিলেন এবং নিশ্চিত করেছিলেন। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ভারতের মান্যবর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর নিশ্চিত, এমন ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। যেদিন মুজিববর্ষ উদযাপন জাতীয় কমিটি বেশি জনসমাগমের অনুষ্ঠানগুলো আপাতত পরিহারের সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেদিনও ভারতের পক্ষ থেকে সফরের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছিল। আমাদের সরকার, দল ও সমগ্র দেশবাসীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করেছিল। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনস্বার্থের কথা চিন্তা করে বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটে এবং বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর সেই অনুষ্ঠানগুলো সংকুচিত এবং পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশনা দেন, কোনো অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়নি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সবকিছুর মধ্যে রাজনীতি খোঁজা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব আজ (মঙ্গলবার) যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা প্রকৃতপক্ষে করোনাভাইরাস নিয়ে মশকরা করার শামিল। অর্থাৎ বিএনপি এই করোনাভাইরাস নিয়ে রাজনীতি করা শুরু করেছে। তাদের উচিত ছিল করোনাভাইরাস নিয়ে রাজনীতি না করে জনগণের পাশে দাঁড়ানো।

করোনা নিয়ে অযথা আতঙ্ক পরিহারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, কিছু পত্রিকা করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে, যা না করার জন্য আমি সবাইকে অনুরোধ জানাব।

একটি অসাধু মহল মাস্ক, হ্যান্ডওয়াশ ও ক্লিনিক মেটেরিয়ালসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে, যে বিষয়ে সরকার তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছে এবং সরকার তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে জানিয়ে ড. হাছান বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে রাজনীতি, আতঙ্ক ছড়ানো বা মুনাফা লোটা কোনোভাবেই সমীচীন নয়।