০২:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মুরাদনগরে মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণ সমর্থন পেলেন বিএনপি প্রার্থী কায়কোবাদ জনগণের পরামর্শেই চলবে মুরাদনগর, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজদের কোনো ছাড় নয়: কায়কোবাদ মুরাদনগরে ছাড়পত্র না থাকায় ৮ লাখ টাকা জরিমানা, তিনটি ইটভাটা বন্ধ নির্বাচিত হলে সংসদে গিয়ে কোরআন শিক্ষা বাধ্যতামুলক করার দাবি তুলবো – মনিরুল হক চৌধুরী মুরাদনগরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যা ‘নির্বাচনী মাঠে উত্তাপ, প্রচারণায় মুখর পুরো উপজেলা’ মুরাদনগরে আচরণবিধি লঙ্ঘন: বিএনপি প্রার্থীর প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দীর্ঘ দুই যুগ পর কুমিল্লায় আসছেন তারেক রহমান হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে বিএনপি প্রার্থীর আবেদন কুমিল্লা সদর দক্ষিণে ছাত্রলীগ নেতা সাকিব গ্রেফতার

মনে হচ্ছে সরকার শ্রমিকদের মানুষই ভাবে না: জি এম কাদের

  • তারিখ : ০৪:৩৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১
  • / 381

অনলাইন ডেস্ক :

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, অপরিকল্পিত লকডাউনের নামে শ্রমিকদের প্রতি যে উদাসীনতা দেখানো হয়েছে তা সভ্য সমাজে মেনে নেয়া যায় না।

অদূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে এক বছরের মাথায় আবারো শ্রমিকদের পায়ে হেঁটে, কয়েকগুণ বেশি খরচ করে রাজধানীতে ফিরতে হয়েছে। যেসব শ্রমিক দেশের সম্বৃদ্ধির জন্য অর্থনীতির চাকা সচল রাখে তাদের সাথে অশোভন ও নির্মম আচরণ করা হয়েছে। আজ সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

সেই বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, এবারের ঈদুল আজহা (২১ জুলাই)-এর আগে ঈদের যাত্রী পরিবহনে গণপরিবহন চলেছে মাত্র ২দিন। আবার ঈদের একদিন পরেই কঠোর বিধিনিষেধের কারণে বন্ধ হয়ে যায় গণপরিবহন। স্বলসময়ে গণপরিবহনে গাদাগাদি করে ঈদযাত্রায় চলাচল করেছে লাখো মানুষ।

এ সময় পরিবারের সাথে ঈদ করতে ভিড়ে আটকে পড়ে আরো কয়েক লাখ মানুষ। আবার কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে গত ৩০ জুলাই হঠাৎ ঘোষণা ১ আগস্ট থেকে তৈরি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। এমন ঘোষণায় স্বল্প আয়ের শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

তারা পায়ে হেঁটে, রিকসা বা ভ্যানে অথবা ট্রাকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজধানীর পথে ছুটেন। শুধু কষ্ট নয়, কয়েকগুণ বেশি খরচ করতে হয়েছে চাকরি রক্ষার্থে। প্রতিটি ফেরিতে কয়েক হাজার মানুষ গাদাগাদি করে নদী পার হয়েছেন।

এসকল কারণে, মারাত্মকভাবে উপেক্ষিত হয়েছে স্বাস্থ্যবিধি। বিপর্যয় এড়াতে সরকারিভাবে ৩১ জুলাই ও ১ আগস্ট সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চালু করে সরকার। গত বছর এপ্রিল মাসেও লকডাউনের মধ্যে তৈরি পোশাক কারখানা খুলে এমন নির্মম পরিহাস করা হয়েছিল শ্রমিকদের সাথে।

তখনও শ্রমিকরা পায়ে হেঁটে, অসহনীয় দুর্ভোগ পোহায়ে রাজধানীতে আসতে হয়েছিল তাদ্র। গত বছরের লকডাউন থেকে শিক্ষা নেয়নি সংশ্লিষ্টরা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে খেটে খাওয়া ও নিম্নআয়ের শ্রমিক শ্রেণির মানুষ। মনে হচ্ছে সরকার শ্রমিকদের মানুষই ভাবে না।

বিবৃতিতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের আরও বলেন, শুধু কথার লকডাউন নয়, মহামারি নিয়ন্ত্রণে যেখানে প্রয়োজন পরিকল্পিত লকডাউন ও ব্যাপকহারে গণটিকা কর্মসূচি, সেখানে দেখা যাচ্ছে সকল ক্ষেত্রে চরম সমন্বয়হীনতা। সে কারণে কমছে না করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা।

 

বিডি-প্রতিদিন

শেয়ার করুন

মনে হচ্ছে সরকার শ্রমিকদের মানুষই ভাবে না: জি এম কাদের

তারিখ : ০৪:৩৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১

অনলাইন ডেস্ক :

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, অপরিকল্পিত লকডাউনের নামে শ্রমিকদের প্রতি যে উদাসীনতা দেখানো হয়েছে তা সভ্য সমাজে মেনে নেয়া যায় না।

অদূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে এক বছরের মাথায় আবারো শ্রমিকদের পায়ে হেঁটে, কয়েকগুণ বেশি খরচ করে রাজধানীতে ফিরতে হয়েছে। যেসব শ্রমিক দেশের সম্বৃদ্ধির জন্য অর্থনীতির চাকা সচল রাখে তাদের সাথে অশোভন ও নির্মম আচরণ করা হয়েছে। আজ সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

সেই বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, এবারের ঈদুল আজহা (২১ জুলাই)-এর আগে ঈদের যাত্রী পরিবহনে গণপরিবহন চলেছে মাত্র ২দিন। আবার ঈদের একদিন পরেই কঠোর বিধিনিষেধের কারণে বন্ধ হয়ে যায় গণপরিবহন। স্বলসময়ে গণপরিবহনে গাদাগাদি করে ঈদযাত্রায় চলাচল করেছে লাখো মানুষ।

এ সময় পরিবারের সাথে ঈদ করতে ভিড়ে আটকে পড়ে আরো কয়েক লাখ মানুষ। আবার কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে গত ৩০ জুলাই হঠাৎ ঘোষণা ১ আগস্ট থেকে তৈরি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। এমন ঘোষণায় স্বল্প আয়ের শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

তারা পায়ে হেঁটে, রিকসা বা ভ্যানে অথবা ট্রাকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজধানীর পথে ছুটেন। শুধু কষ্ট নয়, কয়েকগুণ বেশি খরচ করতে হয়েছে চাকরি রক্ষার্থে। প্রতিটি ফেরিতে কয়েক হাজার মানুষ গাদাগাদি করে নদী পার হয়েছেন।

এসকল কারণে, মারাত্মকভাবে উপেক্ষিত হয়েছে স্বাস্থ্যবিধি। বিপর্যয় এড়াতে সরকারিভাবে ৩১ জুলাই ও ১ আগস্ট সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চালু করে সরকার। গত বছর এপ্রিল মাসেও লকডাউনের মধ্যে তৈরি পোশাক কারখানা খুলে এমন নির্মম পরিহাস করা হয়েছিল শ্রমিকদের সাথে।

তখনও শ্রমিকরা পায়ে হেঁটে, অসহনীয় দুর্ভোগ পোহায়ে রাজধানীতে আসতে হয়েছিল তাদ্র। গত বছরের লকডাউন থেকে শিক্ষা নেয়নি সংশ্লিষ্টরা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে খেটে খাওয়া ও নিম্নআয়ের শ্রমিক শ্রেণির মানুষ। মনে হচ্ছে সরকার শ্রমিকদের মানুষই ভাবে না।

বিবৃতিতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের আরও বলেন, শুধু কথার লকডাউন নয়, মহামারি নিয়ন্ত্রণে যেখানে প্রয়োজন পরিকল্পিত লকডাউন ও ব্যাপকহারে গণটিকা কর্মসূচি, সেখানে দেখা যাচ্ছে সকল ক্ষেত্রে চরম সমন্বয়হীনতা। সে কারণে কমছে না করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা।

 

বিডি-প্রতিদিন