০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মুরাদনগরে মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণ সমর্থন পেলেন বিএনপি প্রার্থী কায়কোবাদ জনগণের পরামর্শেই চলবে মুরাদনগর, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজদের কোনো ছাড় নয়: কায়কোবাদ মুরাদনগরে ছাড়পত্র না থাকায় ৮ লাখ টাকা জরিমানা, তিনটি ইটভাটা বন্ধ নির্বাচিত হলে সংসদে গিয়ে কোরআন শিক্ষা বাধ্যতামুলক করার দাবি তুলবো – মনিরুল হক চৌধুরী মুরাদনগরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যা ‘নির্বাচনী মাঠে উত্তাপ, প্রচারণায় মুখর পুরো উপজেলা’ মুরাদনগরে আচরণবিধি লঙ্ঘন: বিএনপি প্রার্থীর প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দীর্ঘ দুই যুগ পর কুমিল্লায় আসছেন তারেক রহমান হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে বিএনপি প্রার্থীর আবেদন কুমিল্লা সদর দক্ষিণে ছাত্রলীগ নেতা সাকিব গ্রেফতার

স্কুলের ছাদে বাগান

  • তারিখ : ০৬:১৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • / 1767

স্কুলের ছাদে সারি সারি টব। সেখানে বেড়ে ওঠা গাছের ডালে ডালে নানা প্রজাতির ফুল, ফল আর সবজি শোভা পাচ্ছে। এ দৃশ্য দেখতে ভিড় করছেন উৎসাহী মানুষ। স্কুলের ছাদে যে বাগান করা সম্ভব সেটি প্রমাণ করেছেন পাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুকুমার রায়। স্কুলের ছাদে বাগান দেখে স্কুল ও প্রতিষ্ঠান মালিকরা ছাদে বাগান করায় উৎসাহিত হচ্ছেন।

ডোমার উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে বিদ্যালয়টি ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী ও ৩২৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছে স্কুলটিতে। নানা প্রজাতির ফুল ও ফলে ভরে উঠেছে বিদ্যালয়ের ছাদ। গোলাপ, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, গাদা, রজনীগন্ধাসহ নানা প্রজাতির ফুলের পাশাপাশি রয়েছে আম, বেল, আঙ্গুর, মালটা, লেবু, কমলা ও জাম্বুরা। ঔষধি গাছের মধ্যে রয়েছে ঘৃতকুমারী, তুলসী, পুদিনাপাতা, পাথরকুচি, আকন্দ ও থানকুচি। রয়েছে লাউ, স্কোয়াস, পেঁপে, বেগুন, মরিচ, ওলকপি, ধনিয়া, পালং শাক আর টমেটো।

শিক্ষক সুকুমার রায় বলেন, ২০১৮ সালে কয়েকটি ফুলের চারা শৌখিনতার জন্য লাগাই; সেখানে ফুল আসায় আলাদা শোভা দিচ্ছিল। তাই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে ফুল, ফল ও ঔষধি গাছের চারা সংগ্রহ করে স্কুল কৃর্তপক্ষের অনুমতি নিয়ে ছাদে বাগান করা শুরু করি। চারশ গাছ আছে বর্তমানে ছাদে। প্রায় দুই লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। টাকাটা এখানে মুখ্য নয়, ছাদকে ফেলে না রেখে ফুল বাগানের পাশাপাশি, ফল আর সবজি চাষও যে করা যায় সেটি দেখাতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। কারও বাড়ির ছাদ ফেলে না রেখে সেখানে সবজি চাষ করে টাকা আয় করাও সম্ভব।

পাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তরণী কান্ত রায় বলেন, বিদ্যালয়ের ছাদ বাগানটি মনোরম পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। এখানে শিক্ষার্থীরা জীববিজ্ঞানের অংশ উদ্ভিদবিজ্ঞান এবং কৃষি বিষয়ে হাতেকলমে শিখতে পারছে। অপরদিকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ফুলের চারা নিয়ে নিজ বাড়িতে লাগাচ্ছে। এলাকার মানুষজন ও অবিভাবকরা অবসর সময়ে স্কুলের ছাদে এসে বাগান দেখে সময় কাটান।

শেয়ার করুন

স্কুলের ছাদে বাগান

তারিখ : ০৬:১৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০

স্কুলের ছাদে সারি সারি টব। সেখানে বেড়ে ওঠা গাছের ডালে ডালে নানা প্রজাতির ফুল, ফল আর সবজি শোভা পাচ্ছে। এ দৃশ্য দেখতে ভিড় করছেন উৎসাহী মানুষ। স্কুলের ছাদে যে বাগান করা সম্ভব সেটি প্রমাণ করেছেন পাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুকুমার রায়। স্কুলের ছাদে বাগান দেখে স্কুল ও প্রতিষ্ঠান মালিকরা ছাদে বাগান করায় উৎসাহিত হচ্ছেন।

ডোমার উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে বিদ্যালয়টি ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী ও ৩২৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছে স্কুলটিতে। নানা প্রজাতির ফুল ও ফলে ভরে উঠেছে বিদ্যালয়ের ছাদ। গোলাপ, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, গাদা, রজনীগন্ধাসহ নানা প্রজাতির ফুলের পাশাপাশি রয়েছে আম, বেল, আঙ্গুর, মালটা, লেবু, কমলা ও জাম্বুরা। ঔষধি গাছের মধ্যে রয়েছে ঘৃতকুমারী, তুলসী, পুদিনাপাতা, পাথরকুচি, আকন্দ ও থানকুচি। রয়েছে লাউ, স্কোয়াস, পেঁপে, বেগুন, মরিচ, ওলকপি, ধনিয়া, পালং শাক আর টমেটো।

শিক্ষক সুকুমার রায় বলেন, ২০১৮ সালে কয়েকটি ফুলের চারা শৌখিনতার জন্য লাগাই; সেখানে ফুল আসায় আলাদা শোভা দিচ্ছিল। তাই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে ফুল, ফল ও ঔষধি গাছের চারা সংগ্রহ করে স্কুল কৃর্তপক্ষের অনুমতি নিয়ে ছাদে বাগান করা শুরু করি। চারশ গাছ আছে বর্তমানে ছাদে। প্রায় দুই লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। টাকাটা এখানে মুখ্য নয়, ছাদকে ফেলে না রেখে ফুল বাগানের পাশাপাশি, ফল আর সবজি চাষও যে করা যায় সেটি দেখাতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। কারও বাড়ির ছাদ ফেলে না রেখে সেখানে সবজি চাষ করে টাকা আয় করাও সম্ভব।

পাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তরণী কান্ত রায় বলেন, বিদ্যালয়ের ছাদ বাগানটি মনোরম পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। এখানে শিক্ষার্থীরা জীববিজ্ঞানের অংশ উদ্ভিদবিজ্ঞান এবং কৃষি বিষয়ে হাতেকলমে শিখতে পারছে। অপরদিকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ফুলের চারা নিয়ে নিজ বাড়িতে লাগাচ্ছে। এলাকার মানুষজন ও অবিভাবকরা অবসর সময়ে স্কুলের ছাদে এসে বাগান দেখে সময় কাটান।