১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মুরাদনগরে মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণ সমর্থন পেলেন বিএনপি প্রার্থী কায়কোবাদ জনগণের পরামর্শেই চলবে মুরাদনগর, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজদের কোনো ছাড় নয়: কায়কোবাদ মুরাদনগরে ছাড়পত্র না থাকায় ৮ লাখ টাকা জরিমানা, তিনটি ইটভাটা বন্ধ নির্বাচিত হলে সংসদে গিয়ে কোরআন শিক্ষা বাধ্যতামুলক করার দাবি তুলবো – মনিরুল হক চৌধুরী মুরাদনগরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যা ‘নির্বাচনী মাঠে উত্তাপ, প্রচারণায় মুখর পুরো উপজেলা’ মুরাদনগরে আচরণবিধি লঙ্ঘন: বিএনপি প্রার্থীর প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দীর্ঘ দুই যুগ পর কুমিল্লায় আসছেন তারেক রহমান হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে বিএনপি প্রার্থীর আবেদন কুমিল্লা সদর দক্ষিণে ছাত্রলীগ নেতা সাকিব গ্রেফতার

সাক্কুকে অব্যাহতির খবরে তোলপাড়, কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চার প্রার্থী

  • তারিখ : ০৩:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২১
  • / 688

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভোটে কারা প্রার্থী হচ্ছেন তা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। কুমিল্লার মেয়র মনিরুল হক সাক্কুকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতির খবরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপিতে তৈরি হয়েছে মেরুকরণ। অন্যদিকে আওয়ামী লীগে চার প্রার্থীর নাম থাকলেও আ ক ম বাহারের সমর্থনে অধিক আলোচনায় আরফানুল হক রিফাত।

জানা গেছে, দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ না করার দায়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের দুবারের নির্বাচিত মেয়র মনিরুল হক সাক্কুকে কেন্দ্রীয় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির পদ থেকে অব্যাহিত দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। সোমবার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে আলোচনা চলছে তাকে দল থেকে অব্যাহতি দিলে তিনি মেয়র পদে বহাল থাকতে পারেন কি না? মেয়র সাক্কুর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দল থেকে নয়। এ ছাড়া ২০২২ সালের মার্চ-এপ্রিলে মেয়রের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আলোচনা চলছে কারা আগামীতে প্রার্থী হচ্ছেন?

আলোচনা রয়েছে- বর্তমান মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, মহানগরী আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য কাউসার জামান বাপ্পি, কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাসুদ পারভেজ খান ইমরান, মহানগরী আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক নূর-উর রহমান মাহমুদ তানিম, মহানগরী আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক আনিসুর রহমান মিঠু।

নূর-উর রহমান মাহমুদ তানিম বলেন, ‘আমি ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। দীর্ঘ সময় ধরে দলের জন্য কাজ করেছি। আল্লাহর রহমত ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্নেহদৃষ্টি আমার প্রতি রয়েছে। আশা করি দল আমাকে নগরবাসীর সেবা করার সুযোগ দেবে।’ দেশের বাইরে থাকায় আনিসুর রহমান মিঠুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তিনি আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমকে বলেছিলেন মনোনয়ন পেলে নির্বাচন করবেন। নগরীকে সাজানোর বিষয়ে তিনি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করছেন।

আরফানুল হক রিফাত বলেন, ‘কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণে আমি আগ্রহী। স্থানীয় এমপি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার ভাইও আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর সবকিছু নির্ভর করবে।’

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য কাউসার জামান বাপ্পি বলেন, ‘দল নির্বাচনে গেলে আমি অবশ্যই নির্বাচন করব।’ তাঁর মাঠ গোছানো রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন।

মাসুদ পারভেজ খান ইমরান বলেন, ‘আমার বাবা প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ আফজল খান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার পরিবারকে ব্যতিক্তগতভাবে জানেন। আশা করি তিনি আমাকে মূল্যায়ন করবেন।’

পদ থেকে অব্যাহতি প্রসঙ্গে মেয়র সাক্কু বলেন, ‘৪০ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতি করি। আমাকে দলে রাখা না রাখা তারেক রহমানসহ দলের সিনিয়রদের সিদ্ধান্ত। তবে আগামী সোম বা মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমার মন্তব্য জানাব।’ নির্বাচনের বিষয়ে বলেন, ‘ইচ্ছা আছে। বিস্তারিত পরে বলব।’

শেয়ার করুন

সাক্কুকে অব্যাহতির খবরে তোলপাড়, কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চার প্রার্থী

তারিখ : ০৩:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভোটে কারা প্রার্থী হচ্ছেন তা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। কুমিল্লার মেয়র মনিরুল হক সাক্কুকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতির খবরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপিতে তৈরি হয়েছে মেরুকরণ। অন্যদিকে আওয়ামী লীগে চার প্রার্থীর নাম থাকলেও আ ক ম বাহারের সমর্থনে অধিক আলোচনায় আরফানুল হক রিফাত।

জানা গেছে, দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ না করার দায়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের দুবারের নির্বাচিত মেয়র মনিরুল হক সাক্কুকে কেন্দ্রীয় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির পদ থেকে অব্যাহিত দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। সোমবার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে আলোচনা চলছে তাকে দল থেকে অব্যাহতি দিলে তিনি মেয়র পদে বহাল থাকতে পারেন কি না? মেয়র সাক্কুর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দল থেকে নয়। এ ছাড়া ২০২২ সালের মার্চ-এপ্রিলে মেয়রের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আলোচনা চলছে কারা আগামীতে প্রার্থী হচ্ছেন?

আলোচনা রয়েছে- বর্তমান মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, মহানগরী আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য কাউসার জামান বাপ্পি, কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাসুদ পারভেজ খান ইমরান, মহানগরী আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক নূর-উর রহমান মাহমুদ তানিম, মহানগরী আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক আনিসুর রহমান মিঠু।

নূর-উর রহমান মাহমুদ তানিম বলেন, ‘আমি ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। দীর্ঘ সময় ধরে দলের জন্য কাজ করেছি। আল্লাহর রহমত ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্নেহদৃষ্টি আমার প্রতি রয়েছে। আশা করি দল আমাকে নগরবাসীর সেবা করার সুযোগ দেবে।’ দেশের বাইরে থাকায় আনিসুর রহমান মিঠুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তিনি আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমকে বলেছিলেন মনোনয়ন পেলে নির্বাচন করবেন। নগরীকে সাজানোর বিষয়ে তিনি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করছেন।

আরফানুল হক রিফাত বলেন, ‘কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণে আমি আগ্রহী। স্থানীয় এমপি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার ভাইও আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর সবকিছু নির্ভর করবে।’

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য কাউসার জামান বাপ্পি বলেন, ‘দল নির্বাচনে গেলে আমি অবশ্যই নির্বাচন করব।’ তাঁর মাঠ গোছানো রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন।

মাসুদ পারভেজ খান ইমরান বলেন, ‘আমার বাবা প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ আফজল খান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার পরিবারকে ব্যতিক্তগতভাবে জানেন। আশা করি তিনি আমাকে মূল্যায়ন করবেন।’

পদ থেকে অব্যাহতি প্রসঙ্গে মেয়র সাক্কু বলেন, ‘৪০ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতি করি। আমাকে দলে রাখা না রাখা তারেক রহমানসহ দলের সিনিয়রদের সিদ্ধান্ত। তবে আগামী সোম বা মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমার মন্তব্য জানাব।’ নির্বাচনের বিষয়ে বলেন, ‘ইচ্ছা আছে। বিস্তারিত পরে বলব।’