০৩:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালমাইয়ে বিয়ের নাম ভাঙ্গিয়ে মারধর ও লুটপাটের ঘটনায় থানায় মামলা কুমিল্লা সদর দক্ষিণের ব্যবসায়ী দুলালকেখুন্তি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা ভাড়াটিয়া সুমি কুমিল্লার বেলতলীতে পিকআপ চাপায় পথচারী নিহত বিতর্কের মুখে সংসদের নির্বাচনী এলাকা সীমানা নির্ধারণ কারিগরি কমিটি কুমিল্লা সদর দক্ষিণে জুলাই পুনর্জাগরণে সমাজ গঠনে শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান অপরাধী যে দলেরই হোক, কোনো ছাড় নেই- ওসি মোহাম্মদ সেলিম কুমিল্লা সদর দক্ষিণে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ইয়ংস্টার সোশ্যাল অর্গানাইজেশন এর সদর দক্ষিন উপজেলার কমিটি গঠন নতুন পুরাতন বুঝি না,ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে-ডা. শফিকুর রহমান ছয় দফা দাবিতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণে স্বাস্থ্য সহকারীদের অবস্থান কর্মসূচি

স্কুলের ছাদে বাগান

  • তারিখ : ০৬:১৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • / 1706

স্কুলের ছাদে সারি সারি টব। সেখানে বেড়ে ওঠা গাছের ডালে ডালে নানা প্রজাতির ফুল, ফল আর সবজি শোভা পাচ্ছে। এ দৃশ্য দেখতে ভিড় করছেন উৎসাহী মানুষ। স্কুলের ছাদে যে বাগান করা সম্ভব সেটি প্রমাণ করেছেন পাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুকুমার রায়। স্কুলের ছাদে বাগান দেখে স্কুল ও প্রতিষ্ঠান মালিকরা ছাদে বাগান করায় উৎসাহিত হচ্ছেন।

ডোমার উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে বিদ্যালয়টি ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী ও ৩২৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছে স্কুলটিতে। নানা প্রজাতির ফুল ও ফলে ভরে উঠেছে বিদ্যালয়ের ছাদ। গোলাপ, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, গাদা, রজনীগন্ধাসহ নানা প্রজাতির ফুলের পাশাপাশি রয়েছে আম, বেল, আঙ্গুর, মালটা, লেবু, কমলা ও জাম্বুরা। ঔষধি গাছের মধ্যে রয়েছে ঘৃতকুমারী, তুলসী, পুদিনাপাতা, পাথরকুচি, আকন্দ ও থানকুচি। রয়েছে লাউ, স্কোয়াস, পেঁপে, বেগুন, মরিচ, ওলকপি, ধনিয়া, পালং শাক আর টমেটো।

শিক্ষক সুকুমার রায় বলেন, ২০১৮ সালে কয়েকটি ফুলের চারা শৌখিনতার জন্য লাগাই; সেখানে ফুল আসায় আলাদা শোভা দিচ্ছিল। তাই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে ফুল, ফল ও ঔষধি গাছের চারা সংগ্রহ করে স্কুল কৃর্তপক্ষের অনুমতি নিয়ে ছাদে বাগান করা শুরু করি। চারশ গাছ আছে বর্তমানে ছাদে। প্রায় দুই লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। টাকাটা এখানে মুখ্য নয়, ছাদকে ফেলে না রেখে ফুল বাগানের পাশাপাশি, ফল আর সবজি চাষও যে করা যায় সেটি দেখাতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। কারও বাড়ির ছাদ ফেলে না রেখে সেখানে সবজি চাষ করে টাকা আয় করাও সম্ভব।

পাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তরণী কান্ত রায় বলেন, বিদ্যালয়ের ছাদ বাগানটি মনোরম পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। এখানে শিক্ষার্থীরা জীববিজ্ঞানের অংশ উদ্ভিদবিজ্ঞান এবং কৃষি বিষয়ে হাতেকলমে শিখতে পারছে। অপরদিকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ফুলের চারা নিয়ে নিজ বাড়িতে লাগাচ্ছে। এলাকার মানুষজন ও অবিভাবকরা অবসর সময়ে স্কুলের ছাদে এসে বাগান দেখে সময় কাটান।

শেয়ার করুন

স্কুলের ছাদে বাগান

তারিখ : ০৬:১৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০

স্কুলের ছাদে সারি সারি টব। সেখানে বেড়ে ওঠা গাছের ডালে ডালে নানা প্রজাতির ফুল, ফল আর সবজি শোভা পাচ্ছে। এ দৃশ্য দেখতে ভিড় করছেন উৎসাহী মানুষ। স্কুলের ছাদে যে বাগান করা সম্ভব সেটি প্রমাণ করেছেন পাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুকুমার রায়। স্কুলের ছাদে বাগান দেখে স্কুল ও প্রতিষ্ঠান মালিকরা ছাদে বাগান করায় উৎসাহিত হচ্ছেন।

ডোমার উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে বিদ্যালয়টি ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী ও ৩২৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছে স্কুলটিতে। নানা প্রজাতির ফুল ও ফলে ভরে উঠেছে বিদ্যালয়ের ছাদ। গোলাপ, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, গাদা, রজনীগন্ধাসহ নানা প্রজাতির ফুলের পাশাপাশি রয়েছে আম, বেল, আঙ্গুর, মালটা, লেবু, কমলা ও জাম্বুরা। ঔষধি গাছের মধ্যে রয়েছে ঘৃতকুমারী, তুলসী, পুদিনাপাতা, পাথরকুচি, আকন্দ ও থানকুচি। রয়েছে লাউ, স্কোয়াস, পেঁপে, বেগুন, মরিচ, ওলকপি, ধনিয়া, পালং শাক আর টমেটো।

শিক্ষক সুকুমার রায় বলেন, ২০১৮ সালে কয়েকটি ফুলের চারা শৌখিনতার জন্য লাগাই; সেখানে ফুল আসায় আলাদা শোভা দিচ্ছিল। তাই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে ফুল, ফল ও ঔষধি গাছের চারা সংগ্রহ করে স্কুল কৃর্তপক্ষের অনুমতি নিয়ে ছাদে বাগান করা শুরু করি। চারশ গাছ আছে বর্তমানে ছাদে। প্রায় দুই লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। টাকাটা এখানে মুখ্য নয়, ছাদকে ফেলে না রেখে ফুল বাগানের পাশাপাশি, ফল আর সবজি চাষও যে করা যায় সেটি দেখাতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। কারও বাড়ির ছাদ ফেলে না রেখে সেখানে সবজি চাষ করে টাকা আয় করাও সম্ভব।

পাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তরণী কান্ত রায় বলেন, বিদ্যালয়ের ছাদ বাগানটি মনোরম পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। এখানে শিক্ষার্থীরা জীববিজ্ঞানের অংশ উদ্ভিদবিজ্ঞান এবং কৃষি বিষয়ে হাতেকলমে শিখতে পারছে। অপরদিকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ফুলের চারা নিয়ে নিজ বাড়িতে লাগাচ্ছে। এলাকার মানুষজন ও অবিভাবকরা অবসর সময়ে স্কুলের ছাদে এসে বাগান দেখে সময় কাটান।