০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জনগণের পরামর্শেই চলবে মুরাদনগর, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজদের কোনো ছাড় নয়: কায়কোবাদ মুরাদনগরে ছাড়পত্র না থাকায় ৮ লাখ টাকা জরিমানা, তিনটি ইটভাটা বন্ধ নির্বাচিত হলে সংসদে গিয়ে কোরআন শিক্ষা বাধ্যতামুলক করার দাবি তুলবো – মনিরুল হক চৌধুরী মুরাদনগরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যা ‘নির্বাচনী মাঠে উত্তাপ, প্রচারণায় মুখর পুরো উপজেলা’ মুরাদনগরে আচরণবিধি লঙ্ঘন: বিএনপি প্রার্থীর প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দীর্ঘ দুই যুগ পর কুমিল্লায় আসছেন তারেক রহমান হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে বিএনপি প্রার্থীর আবেদন কুমিল্লা সদর দক্ষিণে ছাত্রলীগ নেতা সাকিব গ্রেফতার ওসিকে হুমকি দেওয়া বৈষম্যবিরোধী নেতা মাহদী গ্রেপ্তার

চুরি হয়ে যাচ্ছে লাকসাম রেলওয়ে ডাকঘরের স্থাপনা: যেন দেখার কেহ নেই

  • তারিখ : ০৩:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জুন ২০২৩
  • / 413

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

চুরি হয়ে যাচ্ছে লাকসাম রেলওয়ে ডাকঘরের স্থাপনা। একটু একটু করে প্রতিদিন এই ঘরের টিনের চাল, কাঠের আসবাবপত্র, ইটগুলো হয়ে যাচ্ছে উধাও। তথ্যপ্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নয়নে এক সময়ের যোগাযোগের বিশ্ব সমাদৃত অন্যতম মাধ্যম ডাক ও ডাকপিয়ন না থাকায় তা রক্ষণাবেক্ষণেও নেই নজরদারী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের এক সময়ের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম লাকসাম রেলওয়ের ডাকঘরটির কাঠের আসবাবপত্রসহ টিনের চালা নেই অর্ধেক।

দেওয়ালের কিছু কিছু অংশের ইটগুলোও হয়ে গেছে উধাও। এমতাবস্থায় পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে থাকার কারণে ঘরটির বিভিন্ন সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন। ফলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারনে সরকারের লাখ লাখ টাকার সম্পদ বিনষ্ট হচ্ছে।

লাকসাম জংশন রেলওয়ে স্টেশন ১৮৯৩ সালে প্রায় ৩০০ একর সম্পত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়। এই স্টেশনে বর্তমানে এক বিশাল স্টেশন ভবনসহ ৪টি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। দিন দিন ষ্টেশনগুলো প্রযুক্তি নির্ভর হওয়ায় পুরনো স্থাপনাগুলোর দিকে নজর নেই বললেই চলে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের।

শেয়ার করুন

চুরি হয়ে যাচ্ছে লাকসাম রেলওয়ে ডাকঘরের স্থাপনা: যেন দেখার কেহ নেই

তারিখ : ০৩:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জুন ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

চুরি হয়ে যাচ্ছে লাকসাম রেলওয়ে ডাকঘরের স্থাপনা। একটু একটু করে প্রতিদিন এই ঘরের টিনের চাল, কাঠের আসবাবপত্র, ইটগুলো হয়ে যাচ্ছে উধাও। তথ্যপ্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নয়নে এক সময়ের যোগাযোগের বিশ্ব সমাদৃত অন্যতম মাধ্যম ডাক ও ডাকপিয়ন না থাকায় তা রক্ষণাবেক্ষণেও নেই নজরদারী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের এক সময়ের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম লাকসাম রেলওয়ের ডাকঘরটির কাঠের আসবাবপত্রসহ টিনের চালা নেই অর্ধেক।

দেওয়ালের কিছু কিছু অংশের ইটগুলোও হয়ে গেছে উধাও। এমতাবস্থায় পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে থাকার কারণে ঘরটির বিভিন্ন সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন। ফলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারনে সরকারের লাখ লাখ টাকার সম্পদ বিনষ্ট হচ্ছে।

লাকসাম জংশন রেলওয়ে স্টেশন ১৮৯৩ সালে প্রায় ৩০০ একর সম্পত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়। এই স্টেশনে বর্তমানে এক বিশাল স্টেশন ভবনসহ ৪টি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। দিন দিন ষ্টেশনগুলো প্রযুক্তি নির্ভর হওয়ায় পুরনো স্থাপনাগুলোর দিকে নজর নেই বললেই চলে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের।