জয় বাংলা স্লোগান স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক-তাজুল ইসলাম

আকবর হোসেন :

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এমপি বলেছেন, জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। জয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। বাংলাদেশ একদিন এশিয়ার মধ্যে শীর্ষ অর্থনৈতিক স্থান দখল করবে। সারা বিশ্ব বাংলাদেশকে মডেল হিসেবে অনুসরণ করবে। সকল শিক্ষার্থীদেরকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি এই বিজয় তাদেরকে মনে রাখতে হবে, তাদের সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ ও জাতীর কল্যানে কাজ করতে হবে। গতকাল সোমবার লাকসাম ও মনোহরগঞ্জে আয়োজিত বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, আমি আপনাদের সন্তান। আমাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রীত্ব দিয়েছেন। আমি ও আমার মন্ত্রণালয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। অতীতেও আমার নির্বাচনী এলাকা লাকসাম-মনোহরগঞ্জে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করেছি। ভবিষ্যতেও আরো বহু উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করা হবে। সারা বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা কাজ করছি। যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং বর্ণাঢ্য আয়োজনে লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। দিবসের শুরুতে ১৬ই ডিসেম্বর সোমবার ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। দিনব্যাপি এ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এমপি। লাকসাম পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও মনোহরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সালাম গ্রহণ, ছাত্র-ছাত্রীদের কুচকাওয়াজ, মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারকে সংবর্ধনা প্রদান, জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি, অগ্রগতি ও শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত এবং হাসপাতাল ও এতিম খানায় উন্নত খাবার পরিবেশন করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার একেএম সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত সকল কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন লাকসাম উপজেলা চেয়ারম্যান এড. ইউনুছ ভূঁইয়া, কুমিল্লা জেলা পরিষদের সদস্য এড. আবু তাহের, লাকসাম পৌরসভা মেয়র অধ্যাপক মোঃ আবুল খায়ের, লাকসাম উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) উজালা রাণী চাকমা, লাকসাম উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহব্বত আলী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পড়শী সাহা, চৌদ্দগ্রাম সার্কেলের এএসপি মোঃ সাইফুল ইসলাম, কুমিল্লা জেলা প্রকৌশলী খন্দকার আসাদুজ্জামান, লাকসাম উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এনায়েত উল্লাহ এফসিএ, লাকসাম পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি তাবারক উল্লাহ কায়েস, লাকসাম উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এড. রফিকুল ইসলাম হিরা, লাকসাম থানার ওসি মোঃ নিজাম উদ্দিন, ওসি তদন্ত মোঃ নজরুল ইসলাম, লাকসাম উপজেলা প্রকৌশলী খোন্দকার গোলাম শওকত, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দেবেশ চন্দ্র দাস, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী শাহীন আলম, লাকসাম উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুল বারী মজুমদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর মাওলা চৌধুরী, উপজেলা যুবলীগ নেতা মনিরুল ইসলাম রতন, দলিলুর রহমান মানিক, মোশারফ হোসেন মজুমদার, লাকসাম পৌরসভা কাউন্সিলর বাহা উদ্দিন বাহার, আবদুল আলিম দিদার, আফতাব উল্লাহ চৌধুরী জন্টু, শাহআলম, গোলাম কিবরিয়া সুমন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন শামীম, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শিহাব খাঁন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামসহ উপজেলার সকল অফিসারবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ, সকল ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ ও সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে মনোহরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল রানা। এসময় চেয়ারম্যান মোঃ জিয়াউর রহমান শাহীন জিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মাষ্টার আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন, বৃহত্তর লাকসাম উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল খালেক দয়াল, উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুল আজিজসহ আরো অনেকে। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডিজিএম আলী হোসাইন, মনোহরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পাঠান মোঃ সাইদুজ্জামান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আমিরুল ইসলাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা কুসুম, উপজেলা প্রকৌশলী আল আমিন সর্দার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ওয়াসিম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ফেরদৌস আলম মজুমদার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মোঃ সেলিম চৌধুরী, শাহাদাত হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ খাঁন রাজু, মনির হোসেন হেলাল, তাজুল ইসলাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ভেন্ডর, আবুল বাশার মজুমদার, আবুল কালাম আজাদ, মনোহরগঞ্জ থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন, ওসি তদন্ত মাহবুবুল আলম, চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, আবদুল মন্নান, কামাল হোসেন, ইকবাল হোসেন, মোস্তফা কামাল, মহিন উদ্দিন চৌধুরী, আল আমিন ভূঁইয়া, আবদুল হান্নান হিরণ, রুহুল আমিন, সাইদুর রহমান দুলাল, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি এসএম শেখ কামাল, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক দেওয়ান জসিম উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুর রহমান শফিক, আবুল বাশার, মাসুদ আলম, জানে আলম, এমএইচ নোমান, আমির হোসেন, কামাল হোসেন, মহি উদ্দিন, যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক মোঃ সেলিম কাদের চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন বাবলু, সহ সভাপতি আলী আক্কাছ, সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক নূরে আলম ছিদ্দিকীসহ উপজেলার সকল অফিসারবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ, সকল ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ ও সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

     আরো পড়ুন....

পুরাতন খবরঃ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
error: ধন্যবাদ!