০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মুরাদনগরে ছাড়পত্র না থাকায় ৮ লাখ টাকা জরিমানা, তিনটি ইটভাটা বন্ধ নির্বাচিত হলে সংসদে গিয়ে কোরআন শিক্ষা বাধ্যতামুলক করার দাবি তুলবো – মনিরুল হক চৌধুরী মুরাদনগরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যা ‘নির্বাচনী মাঠে উত্তাপ, প্রচারণায় মুখর পুরো উপজেলা’ মুরাদনগরে আচরণবিধি লঙ্ঘন: বিএনপি প্রার্থীর প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দীর্ঘ দুই যুগ পর কুমিল্লায় আসছেন তারেক রহমান হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে বিএনপি প্রার্থীর আবেদন কুমিল্লা সদর দক্ষিণে ছাত্রলীগ নেতা সাকিব গ্রেফতার ওসিকে হুমকি দেওয়া বৈষম্যবিরোধী নেতা মাহদী গ্রেপ্তার কুমিল্লার ৩টি আসনে জামায়াতের প্রার্থীসহ ১১ জনের মনোনয়ন বাতিল

নাঙ্গলকোট মডেল মসজিদ নির্মাণের ব্যাপক অনিয়ম

  • তারিখ : ১১:৪৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২০
  • / 545

মো: ওমর ফারুক :

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জাহের ট্রেডার্স এন্ড জেবির বিরুদ্ধে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠা থেকে কাজটি কিনে নেয় লালমাই উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউপির চেয়ারম্যান আবুল কাশেম। তিনি অভিযোগের বিষয়ে বলেন, কাজটি যদি খারাপ হয় তাহলে আপনারা গণপূর্ত বিভাগে লিখিত অভিযোগ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দ ৫৬০ টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্হাপন প্রকল্প ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনায়ের অধীনে ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা ব্যয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সাবেক উপজেলা মসজিদ ও মসজিদের পুকুরে নির্মিত স্থানে নির্মান করা হচ্ছে মডেল মসজিদ। নির্মাণ কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি মডেল মসজিদ নির্মাণের প্রথম থেকেই নিম্ম মানের সামগ্রী দিয়ে আসছে। পাইলিং না করে কাদামাটিতে পুকুর ভরাট করে বেজমেন্টের ঢালাই দেয় হয়।

নিম্নমানের মরা পাথরের সাথে, মাটি মিশ্রিত করা হয়। ড্রেজারের বালু, মরিচা পড়া রড ব্যাবহারের ফলে লিন্টার গুলো নিচের দিকে হেলে পড়ে, সোজা লিন্টার গুলো বাঁকা হয়ে যায়। এ অবস্থায় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যাবহারের ফলে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগে মসজিদটি হেলে পড়ার আশংকায় রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মানছেননা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। করোনার লকডাউনের সময় গণপূর্ত বিভাগের কোন তদারকি না থাকায় তড়িঘড়ি করে লিন্টার গুলো ঢালাই দেয় হয়। অনেকস্হানে পুরাতন রড ব্যাবহারের অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রভাবশালী হওয়া কেউ সাহস করে প্রতিবাদ করতে পারছেনা। কাজের তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন কোটবাড়ী গণপূর্ত উপ-বিভাগের প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া।

তিনি বলেন,লকডাউনের সময় আমি না থাকায় কিছুটা অনিয়ম হয়েছে। কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। পরে তারা আবার কাজ করেছে। অভিযুক্ত ঠিকাদার আবুল কাশেম বলেন,আমার কোন অনিয়ম হলে আপনারা গণপূর্ত বিভাগে অভিযোগ করেন। সোমবার (২২ জুন) নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী অফিসার লামইয়া সাইফুল বলেন,আমি গণপূর্তের প্রকৌশলীকে ডেকে বিষয়টি জিজ্ঞেস করবো।

শেয়ার করুন

নাঙ্গলকোট মডেল মসজিদ নির্মাণের ব্যাপক অনিয়ম

তারিখ : ১১:৪৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২০

মো: ওমর ফারুক :

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জাহের ট্রেডার্স এন্ড জেবির বিরুদ্ধে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠা থেকে কাজটি কিনে নেয় লালমাই উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউপির চেয়ারম্যান আবুল কাশেম। তিনি অভিযোগের বিষয়ে বলেন, কাজটি যদি খারাপ হয় তাহলে আপনারা গণপূর্ত বিভাগে লিখিত অভিযোগ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দ ৫৬০ টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্হাপন প্রকল্প ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনায়ের অধীনে ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা ব্যয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সাবেক উপজেলা মসজিদ ও মসজিদের পুকুরে নির্মিত স্থানে নির্মান করা হচ্ছে মডেল মসজিদ। নির্মাণ কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি মডেল মসজিদ নির্মাণের প্রথম থেকেই নিম্ম মানের সামগ্রী দিয়ে আসছে। পাইলিং না করে কাদামাটিতে পুকুর ভরাট করে বেজমেন্টের ঢালাই দেয় হয়।

নিম্নমানের মরা পাথরের সাথে, মাটি মিশ্রিত করা হয়। ড্রেজারের বালু, মরিচা পড়া রড ব্যাবহারের ফলে লিন্টার গুলো নিচের দিকে হেলে পড়ে, সোজা লিন্টার গুলো বাঁকা হয়ে যায়। এ অবস্থায় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যাবহারের ফলে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগে মসজিদটি হেলে পড়ার আশংকায় রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মানছেননা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। করোনার লকডাউনের সময় গণপূর্ত বিভাগের কোন তদারকি না থাকায় তড়িঘড়ি করে লিন্টার গুলো ঢালাই দেয় হয়। অনেকস্হানে পুরাতন রড ব্যাবহারের অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রভাবশালী হওয়া কেউ সাহস করে প্রতিবাদ করতে পারছেনা। কাজের তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন কোটবাড়ী গণপূর্ত উপ-বিভাগের প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া।

তিনি বলেন,লকডাউনের সময় আমি না থাকায় কিছুটা অনিয়ম হয়েছে। কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। পরে তারা আবার কাজ করেছে। অভিযুক্ত ঠিকাদার আবুল কাশেম বলেন,আমার কোন অনিয়ম হলে আপনারা গণপূর্ত বিভাগে অভিযোগ করেন। সোমবার (২২ জুন) নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী অফিসার লামইয়া সাইফুল বলেন,আমি গণপূর্তের প্রকৌশলীকে ডেকে বিষয়টি জিজ্ঞেস করবো।