০২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালমাইয়ে বিয়ের নাম ভাঙ্গিয়ে মারধর ও লুটপাটের ঘটনায় থানায় মামলা কুমিল্লা সদর দক্ষিণের ব্যবসায়ী দুলালকেখুন্তি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা ভাড়াটিয়া সুমি কুমিল্লার বেলতলীতে পিকআপ চাপায় পথচারী নিহত বিতর্কের মুখে সংসদের নির্বাচনী এলাকা সীমানা নির্ধারণ কারিগরি কমিটি কুমিল্লা সদর দক্ষিণে জুলাই পুনর্জাগরণে সমাজ গঠনে শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান অপরাধী যে দলেরই হোক, কোনো ছাড় নেই- ওসি মোহাম্মদ সেলিম কুমিল্লা সদর দক্ষিণে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ইয়ংস্টার সোশ্যাল অর্গানাইজেশন এর সদর দক্ষিন উপজেলার কমিটি গঠন নতুন পুরাতন বুঝি না,ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে-ডা. শফিকুর রহমান ছয় দফা দাবিতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণে স্বাস্থ্য সহকারীদের অবস্থান কর্মসূচি

নির্ধারিত থাকছে না গরুর মাংসের দাম

  • তারিখ : ০৬:২৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৪
  • / 309

# চাহিদা-জোগানের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে মাংসের দাম
# বেঁধে দেওয়া দামে মাংস বিক্রি করলে লোকসান হচ্ছে, দাবি ব্যবসায়ীদের
# সরকারের উচিত দাম নির্ধারণ করে দেওয়া, দাবি ভোক্তাদের

নির্ধারিত থাকছে না গরুর মাংসের দাম। প্রতি কেজি মাসের নির্ধারিত দাম ৬৫০ টাকা বাতিল করেছেন মাংস ব্যবসায়ীরা। নির্ধারিত দামে মাংস বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। দাম বেঁধে দিয়ে মাংস বিক্রি করতে গেলে অনেকের লোকসান হচ্ছে বলে দাবি তাদের। এখন থেকে বাজারের চাহিদা ও জোগানের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে মাংসের দাম।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, নির্বাচনের ঠিক এক মাস আগে মাংস বিক্রেতা ও খামারি মিলে গরুর মাংসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ দামে কিনলে ক্রেতা প্রতি কেজি গরুর মাংসে ৭৫০ গ্রাম মাংস, ২০০ গ্রাম হাড় ও ৫০ গ্রাম চর্বি পেতেন। নির্বাচনের দিন (৭ জানুয়ারি) পর্যন্ত বাজারে এ দাম কার্যকর ছিল। এখন সেটা থাকছে না।

সম্প্রতি গরুর মাংসের দাম নিয়ে ব্যবসায়ীরা সভা করেন। এ বিষয়ে মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মুর্তজা বলেন, এখন থেকে গরুর মাংসের কোনো নির্ধারিত দাম থাকবে না। কারণ, নির্ধারিত দামে মাংস বিক্রি করতে গিয়ে অনেক ব্যবসায়ী লোকসানের শিকার হচ্ছেন। তবে ক্রেতাদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে মাংসের দাম যতটুকু সম্ভব কমিয়ে রাখা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাংস ব্যবসায়ীদের এ সিদ্ধান্তের আগেই বাজারে গরুর মাংসের দাম এক দফা বেড়েছে। এখন অধিকাংশ জায়গায় প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা। কোথাও কোথাও ৬৫০ টাকায় পাওয়া গেলেও তাতে মাংসের মানের ক্ষেত্রে ছাড় দিতে হচ্ছে।

এদিকে, ক্রেতাদের অভিযোগ— সামনে পবিত্র শবে বরাত ও রমজান মাস। সাধারণত এ সময় বাজারে মাংসের দাম একটু বাড়তি থাকে। ঠিক এসময়ে ব্যবসায়ীরা গরুর মাংসের নির্ধারিত দর থেকে সরে এলেন ভোক্তাদের পকেট কাটার জন্য। সরকারের উচিত একটি দাম নির্ধারণ করে দেওয়া।

শেয়ার করুন

নির্ধারিত থাকছে না গরুর মাংসের দাম

তারিখ : ০৬:২৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৪

# চাহিদা-জোগানের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে মাংসের দাম
# বেঁধে দেওয়া দামে মাংস বিক্রি করলে লোকসান হচ্ছে, দাবি ব্যবসায়ীদের
# সরকারের উচিত দাম নির্ধারণ করে দেওয়া, দাবি ভোক্তাদের

নির্ধারিত থাকছে না গরুর মাংসের দাম। প্রতি কেজি মাসের নির্ধারিত দাম ৬৫০ টাকা বাতিল করেছেন মাংস ব্যবসায়ীরা। নির্ধারিত দামে মাংস বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। দাম বেঁধে দিয়ে মাংস বিক্রি করতে গেলে অনেকের লোকসান হচ্ছে বলে দাবি তাদের। এখন থেকে বাজারের চাহিদা ও জোগানের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে মাংসের দাম।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, নির্বাচনের ঠিক এক মাস আগে মাংস বিক্রেতা ও খামারি মিলে গরুর মাংসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ দামে কিনলে ক্রেতা প্রতি কেজি গরুর মাংসে ৭৫০ গ্রাম মাংস, ২০০ গ্রাম হাড় ও ৫০ গ্রাম চর্বি পেতেন। নির্বাচনের দিন (৭ জানুয়ারি) পর্যন্ত বাজারে এ দাম কার্যকর ছিল। এখন সেটা থাকছে না।

সম্প্রতি গরুর মাংসের দাম নিয়ে ব্যবসায়ীরা সভা করেন। এ বিষয়ে মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মুর্তজা বলেন, এখন থেকে গরুর মাংসের কোনো নির্ধারিত দাম থাকবে না। কারণ, নির্ধারিত দামে মাংস বিক্রি করতে গিয়ে অনেক ব্যবসায়ী লোকসানের শিকার হচ্ছেন। তবে ক্রেতাদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে মাংসের দাম যতটুকু সম্ভব কমিয়ে রাখা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাংস ব্যবসায়ীদের এ সিদ্ধান্তের আগেই বাজারে গরুর মাংসের দাম এক দফা বেড়েছে। এখন অধিকাংশ জায়গায় প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা। কোথাও কোথাও ৬৫০ টাকায় পাওয়া গেলেও তাতে মাংসের মানের ক্ষেত্রে ছাড় দিতে হচ্ছে।

এদিকে, ক্রেতাদের অভিযোগ— সামনে পবিত্র শবে বরাত ও রমজান মাস। সাধারণত এ সময় বাজারে মাংসের দাম একটু বাড়তি থাকে। ঠিক এসময়ে ব্যবসায়ীরা গরুর মাংসের নির্ধারিত দর থেকে সরে এলেন ভোক্তাদের পকেট কাটার জন্য। সরকারের উচিত একটি দাম নির্ধারণ করে দেওয়া।